সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
এস এম মনিরুজ্জামান, ফরিদপুর প্রতিনিধি::
ফরিদপুরে কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে ক্ষতিকর ইনজেকশন, রাসায়নিক দ্রব্য ও ট্যাবলেট ব্যবহার না করে সম্পুর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন ফরিদপুরের খামারী ও কৃষকরা।ফলে ফরিদপুর জেলার এসব গরুর চাহিদা রয়েছে দেশের সব জেলাগুলোতে। ইতিমধ্যেই কোরবানীর গরু বিক্রিতে ব্যস্ত হয়ে পরছেন খামারী মালিক ও কৃষকেরা।
ফরিদপুর সদর উপজেলার শ্যাম সুন্দরপুর ফরিদাবাদ মরিয়ম ডায়েরী ফার্মের মালিক আলহাজ্ব শেখ ফরিদ জানান, কোরবানীকে সামনে রেখে সম্পুর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে ষাড় গরু মোটাতাজা করা হয়েছে।
তিনি জানান, আমরা নিজেস্ব জমিতে ঘাস চাষ করি। সেই ঘাস, খড় ও ভুষি খাওয়ানো হচ্ছে কোরবানীর ঈদের জন্য প্রস্তুত করা এসব গরুকে। আলহাজ্ব শেখ ফরিদ জানান, শুধু বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে দেশের ধর্মপ্রান মুসলমানদের হাতে খাটি গরু তুলে দেবার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরো জানান, আমার খামারে প্রতিটি গরু ৮ থেকে ১০ মন করে মাংস হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ভারত থেকে যদি গরু না আসে তাহলে তারা গরুতে ভালো মূল্যে পাবেন বলে আশা করছেন।
ফরিদপুর জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা নুরুল্লাহ মোঃ আহসান জানান, জেলার প্রায় সব খামারী শুভ বুদ্ধির পরিচয় দিচ্ছে,প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পশু পালনে তাদের উদ্যেগের ফলে ফরিদপুর জেলায় স্বাস্থ্যসম্মত বিশুদ্ধ গরু ও খাসী সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে। তিনি জানান, জেলার ৫১৬টি খামারে ৩২ হাজার ৫শত গরু ও প্রায় ১৭ হাজার খাসী কোরবানীর হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।ফলে জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতেও এসব গরু ও খাসী সরবরাহ করা সম্ভব হবে। প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা জানান, কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে আগামী সপ্তাহ থেকে জেলার সকল হাট গুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত বিশুদ্ধ গরু ও খাসী নিশ্চিত করতে মেডিকেল টিম কাজ করবে।